সর্বাধিক পঠিত সংবাদ
-
অনলাইন শপিং সাইট ইভ্যালিডটকমডটবিডির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলসহ প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাব খুলে দ...
-
ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক। ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি, আর্থিক দুর্নীতি এবং নাশকত...
-
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইন...
মনজুরুল আলম রাজীবের প্রিয় ও অপ্রিয় হয়ে উঠা
সাভারের আশুলিয়ায় স্ত্রীর খোঁজ জানতে সহকর্মীর সন্তান অপহরণ
সাভারে ২ যুবককে গণপিটুনি, পার্সেলের কথা বলে ঘরে ঢুকে ডাকাতির চেষ্টা
আটকরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানার মাঙ্গড়া গ্রামের মো. রেজাউল মোল্লার ছেলে সজল মোল্লা (২১) ও লক্ষ্মীপুরের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত কাশেম মিয়া ছেলে মো. রহমান ওরফে সুমন (৩৭)।
প্রবাসী মোছলেম রহমানের স্ত্রী শিরিন জাগো নিউজকে জানান, দুপুরে দুই যুবক বাসায় এসে জানান কুয়েত থেকে পার্সেল এসেছে। এ সময় তিনি কোনো ধরনের পার্সেল আসার কথা না জানালে ঘরের ভেতর ঢুকে ওই দুই যুবক তার কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে মুখ চেপে ধরেন। এ সময় শিরিনের দুই সন্তান ছুটে এলে তাদের কপালেও পিস্তল ঠেকিয়ে ভয় দেখান তারা। একজন কৌশলে বারান্দায় গিয়ে ডাকাত বলে চিৎকার দিলে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা ভবনটির প্রধান গেট আটকে দেয়। এরপর তারা দুজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুর রাশিদ জাগো নিউজকে বলেন, আটক দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি তারা ওই বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। একটি রিভালবারসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সোর্স: জাগো নিউজ ২৪/মাহফুজুর রহমান নিপু/এসজে/এএসএম
যুগান্তরের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
যুগান্তরে ২৫ মে ‘সাভারে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাভার প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক জাভেদ মোস্তফা। প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেন, সংবাদে সাভার প্রেস ক্লাব নিয়ে যে তথ্যটি দেওয়া হয়েছে তা সত্য নয়। ২০১৮ সালে সর্বশেষ সাভার প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের পর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো নির্বাচন হয়নি। এ অবস্থায় ক্লাবের অচলাবস্থা নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠনসহ ক্লাবের ৬ জন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সমন্বয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্রলীগ বা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন দিয়ে প্রেস ক্লাব দখলের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
বকেয়া পরিশোধের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ সাভারে
শ্রমিকরা জানায়, কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আইনগত বকেয়া পরিশোধ না করে জোরপূর্বক অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে বের করে দেয়। তাই পাওনাদি পরিশোধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
শ্রমিক মো. রতন হোসেন বলেন, আমি ২০০৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কাজ করেছি। কিন্তু আমাদের হঠাৎ করেই কর্তৃপক্ষ ছাঁটাই করেছেন। তারা আইনগত পাওনাদি পরিশোধ করেনি। এই মুহূর্তে আমরা অনিশ্চয়তায় ভুগছি। এখন আমরা চাকরিও পাচ্ছি না। আমরা অমানবিক জীবনযাপন করছি। আমরা বাসা ভাড়া দিতে পারছি না।
এ ব্যাপারে টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাভার আশুলিয়া ধামরাই আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রতন হোসেন মোতালেব বলেন, অন্যায়ভাবে শ্রমিকদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে কাজ থেকে বিরত রেখে কারখানা কর্তৃপক্ষ অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। অবিলম্বে শ্রমিকদের আইনগত বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি। আমরা শ্রমিকদের টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়েছি। তাদের শ্রমিকদের বেতন শ্রমিকদেরই পরিশোধ করবেন। আমরা আমাদের হাতে শ্রমিকদের বেতন চাইব কেন?
এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর সাভার ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. সুলতান মাহমুদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিষয়টি নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
কারখানার অ্যাডমিন ম্যানেজার মো. মনির হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, যে কয়েকজন জমায়েত হয়েছেন তার মধ্যে আমাদের মাত্র ৫-৬ জন শ্রমিক রয়েছে। শ্রমিকরা আইন অনুযায়ী টাকা পাচ্ছেন। শ্রমিকরা শিডিউল অনুযায়ী রিজাইনের টাকা পাবেন এবং পাচ্ছেন। তবে শ্রমিক নেতারা আমাদের কাছে যা চাচ্ছেন তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের শ্রমিকদের যদি কিছু পাওনা থাকে, তাদের সরাসরি কারখানা দেবে। কিন্তু শ্রমিক নেতাদের হাতে টাকা দেওয়া হবে না।
সোর্স: ঢাকা পোস্ট ডট কম।
ডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান জানান, শর্ট সার্কিট থেকেই এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে
![]() |
| ছবিঃডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান(সংগৃহিত) |
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্যোগ নিয়ে করণীয় নির্ধারণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলার পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এফ আর টাওয়ারের ঘটনায় দেখা গেছে, আটতলায় শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। আট, নয় ও ১০ তলা পর্যন্ত আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধোঁয়ার কারণে ১১ ও ১২ তলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চকবাজারের চুড়িহাট্টা, বনানী এফ আর টাওয়ার, গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আজকের সভায় আলোচনা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া এসব ঘটনায় আমাদের মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের বিষয়ে প্রতিনিধিরা মতামত দিয়েছেন। অগ্নিপ্রতিরোধে প্রত্যেকটি ভবনের অনুমোদন দেয়ার আগে ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন। পানি সরবরাহে বেশি পরিমাণে ওয়াটার হাইড্রেন্ট নির্মাণের জন্য ওয়াসার প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে।’
গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে। ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২8 জন। আহত হন ১৩০ জন ।
এ ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
সাভারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
![]() |
| ছবিঃ সংগৃহিত |
সাভারে হুমায়ুন কবীর নিহত, আটক ৫
![]() |
| হুমায়ুন কবীর সরকার: সংগৃহীত |
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের পানপাড়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে আজ রোববার হুমায়ুন কবির সরকার নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে কুপিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
হুমায়ুন কবির সরকার (৪০) সাভারের ভরারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ব্যবসা করতেন।
সাভার ট্যানারি ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) অখিল রঞ্জন সরকার বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হুমায়ুন কবির সরকার স্থানীয় রাজফুলবাড়িয়া বাজারে তাঁর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে একই এলাকার ফারুক হোসেন ওরফে পারভেজ ও আলমগীরের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩২ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ধলেশ্বরী নদীতে লাফিয়ে পড়ে সাঁতরে অপর পাড়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ট্রলার নিয়ে পারভেজ ও আলমগীর তাঁদের লোকজনসহ হুমায়ুনকে ধরে পানির মধ্যেই এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। একপর্যায়ে টেটাবিদ্ধ করে তাঁকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়ানে পুলিশ এসব তথ্য জেনেছে বলে তিনি জানান।
মামলার বাদী হুমায়ুনের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, পারভেজ ও আলমগীর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাঁদের অপকর্মে বাধা দেওয়ায় তাঁরা তাঁর ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন।















