সব খবর একসাথে

Coming soon

সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

Showing posts with label সাভার. Show all posts
Showing posts with label সাভার. Show all posts

মনজুরুল আলম রাজীবের প্রিয় ও অপ্রিয় হয়ে উঠা

মঞ্জুরুল আলম রাজীব এক ইস্পাত সমান ব্যাক্তিত্বের নাম। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ মুক্ত সাভার গড়ার কারীগর বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক।  
সাভার উপজেলার বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেনী পেশা ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য যার অক্লান্ত পরিশ্রম তিনি মাটি ও মানুষের নেতা, আওয়ামীলীগের নিবেদিত প্রান মঞ্জুরুল আলম রাজীব। ক্ষুধার্তদের মুখে আহার দেয়ার যুদ্ধে নিয়োজিত প্রতিটা মুহূর্তে।
একজন মানবিক মানুষ হিসেবে সকলের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে সাভারের গর্ব এই আওয়ামীলীগ নেতা। বিগত বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর পিছু ছাড়িনি বিএনপি-জামায়াতের দোসর, প্রতিনিয়ত প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে।  

 
কিন্তু অকুতোভয় এই মহান নেতার কর্মকাণ্ড থেমে থাকেনি, আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠনের পাশে থেকে দলকে সাহস যুগিয়ে জনগণের সেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন। সাভার আশুলিয়ার জনগনের একটি আস্থার নাম মঞ্জুরুল আলম রাজীব।
দেশের যুব সমাজকে রক্ষায় সাভার উপজেলার প্রত্যেক মহল্লায় তার নির্দেশে মাদকের আখরা নিধন সহ নির্মূলের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।দলের ভিতর ঘাপটি মেরা থাকা চাঁদাবাজদের হুশিয়ারী করে সাধারন জনগনের জান-মালের রক্ষার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
দূর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছন। জনগন তার কর্মকান্ডকে সাধুবাদ জানালেও একটি মহন ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিনিয়ত তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ছোটবেলা থেকে আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত হন তিনি।
বিরোধী শক্তির দ্বারা নির্যাতিত হয়েও থেমে যাননি ইস্পাত সমান মনের শক্তিধর এই মহান নেতা।বিএনপি'র জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে সশরীরে মাঠে থেকে দলের নেতা-কর্মীদের মনে সাহস যুগিয়েছেন।

 
দলের দুঃসময়ে যখন কেউ পাশে ছিল না প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সাহসিকতার সাথে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রতিবাদী এই মহান নেতা প্রতিনিয়ত অসহায়দের খুঁজে বেড়ান।
এছাড়াও খোঁজ নিয়ে জানা যায় সাভার উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব প্রতিদিনের রুটিন মোতাবেক অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থসহ নিয়মিত শুকনা খাবার, চাল, ডাল, পেঁয়াজ বিতরণ করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন,মহান নেত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী,বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক সকলের খাদ্য ও বাসস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। সমাজের মানুষের সকল সমস্যা নিরসনে আমার সহায়তার দরজা সব সময় খোলা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় নিরলসভাবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রতিটি মানবিক কাজ সকলের কাছে প্রশংসনীয়। আমি সাভার উপজেলার প্রতিটি কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ.বি.এম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ বলেন, আমাদের সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলার সফল চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সততা ও দক্ষতার সাথে উপজেলার প্রতিটি উন্নয়ন কাজ সফলভাবে করে যাচ্ছেন।
আমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে তার প্রতিটি কাজে একাত্বতা পোষণ করে নিজ নিজ ইউনিয়নের উন্নয়নে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদ্বয় উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নের পাশাপাশি অত্যন্ত মানবিকভাবে সাধারণ মানুষের জন্য নিয়মিত সাহায্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যা সাভার উপজেলার মানবিক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন।

সোর্স: পত্রিকা একাত্তর / সোহাগ হাওলাদার
Share:

সাভারের আশুলিয়ায় স্ত্রীর খোঁজ জানতে সহকর্মীর সন্তান অপহরণ

সাভারের আশুলিয়া থেকে দেড় বছরের শিশু অপহরণের ৩ মাস পর উদ্ধার করে অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪ এর একটি দল। মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুরে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিপিসি-২, র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মো. মাজহারুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার মো. রাশেদুল ইসলাম (৩০) রংপুর থেকে এসে গত ২ বছর ধরে আশুলিয়ার জিরানী বাজার কলেজ রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। 
তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী এবং বিবাহিত। অপহরণকারীর স্ত্রী নুরজাহান ও অপহৃত শিশুটির মা মিরা আক্তার আশুলিয়ায় একই গামেন্টসে চাকরি করতেন। এর সুবাদে দুজনের মধ্যে সু-সম্পর্ক ছিল। এ ছাড়া অপরজন হলেন রাশেদুলের ফুফু রোকসানা। তিনিও রংপুরের বাসিন্দা এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার রতনপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

অপহৃত শিশু টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী থানার পাইক্কা গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে। সাদ্দাম হোসেন পেশায় রাজমিস্ত্রি ও তার স্ত্রী মিরা আক্তার পোশাককর্মী। তারা আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেঙ্গুরী এলাকায় জনৈক আলী হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

জানা যায়, গত ৩১ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেঙ্গুরী এলাকা থেকে দেড় বছরের শিশু আঁখিকে অজ্ঞাত পরিচয়ে এক যুবক অপহরণ করে। ঘটনার কয়েকদিন আগে আলী হোসেনের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিতে আসে অপহরণকারী। বাড়ির ম্যানেজার না থাকায় কথাবার্তা বলে চলে যায়। পরে গত ৩১ মার্চ আবার বাসা ভাড়া নিতে এসে খেলা করার সময় কৌশলে আঁখিকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। 

পরদিন ভুক্তভোগী পরিবার আশুলিয়া থানায় শিশু অপহরণের মামলা করেন। এ ঘটনায় অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-৪। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৪ এর গোয়েন্দা তথ্যে গত ৩০ মে রংপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে অপহরণকারী মো. রাশেদুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণকারীর দেওয়া তথ্যমতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানার রতনপুর এলাকার একটি বাসা হতে রোকসানার (৩৫) হেফাজত থেকে দেড় বছরের অপহৃত শিশু আঁখিকে উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায় রাশেদুল ইসলামের স্ত্রী ও অপহৃত আঁখির মা একই গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। রাশেদুলের স্ত্রী তার সাত বছরের সন্তানকে রেখে পরকিয়ার টানে পরপুরুষের সাথে চলে যায়। চাকরির সুবাদে রাশেদুলের স্ত্রী ও অপহৃতের মা মিরার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। তাই রাশেদুলের সন্দেহ তার স্ত্রী কোথায় আছে তা জানে মিরা। এ কারণে মিরার কাছে তার স্ত্রীর সন্ধান চান। কিন্তু মিরা না জানায় বলতে পারেননি। তাই রাশেদুল মিরার সন্তানকে অপহরণ করে তার স্ত্রীর সন্ধান চান।

ঘটনার এক সপ্তাহ পর অপহরণকারী রাশেদ ভিকটিম শিশুটির পিতা-মাতাকে ফোন করে আঁখি তার হেফাজতে আছে জানিয়ে তার স্ত্রীর সঠিক ঠিকানা জানতে চান। ঠিকানা জানালে তার সন্তানকে ফেরত দেবেন বলে জানান। পরবর্তীতে অপহরণকারী লোভের বশবর্তী হয়ে অপহৃত ভিকটিম আঁখির বাবা-মার কাছে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করলে বিকাশে ২০ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার অবস্থান জেনে যাওয়ার ভয়ে আসামি রাশেদ মুক্তিপনের টাকা উত্তোলন না করে মোবাইল বন্ধ করে দেন।

সিপিসি-২, র‌্যাব ৪ এর কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একইসঙ্গে আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সোর্স: ঢাকা পোস্ট /মাহিদুল মাহিদ/আরআই
Share:

সাভারে ২ যুবককে গণপিটুনি, পার্সেলের কথা বলে ঘরে ঢুকে ডাকাতির চেষ্টা

মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ি বটতলা এলাকার মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী মোছলেম রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঢাকার সাভারে পার্সেলের কথা বলে ঘরে ঢুকে ডাকাতির চেষ্টাকালে দুই যুবককে গণপিটুনির পর পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করা হয়।

আটকরা হলেন- গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানার মাঙ্গড়া গ্রামের মো. রেজাউল মোল্লার ছেলে সজল মোল্লা (২১) ও লক্ষ্মীপুরের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত কাশেম মিয়া ছেলে মো. রহমান ওরফে সুমন (৩৭)।

প্রবাসী মোছলেম রহমানের স্ত্রী শিরিন জাগো নিউজকে জানান, দুপুরে দুই যুবক বাসায় এসে জানান কুয়েত থেকে পার্সেল এসেছে। এ সময় তিনি কোনো ধরনের পার্সেল আসার কথা না জানালে ঘরের ভেতর ঢুকে ওই দুই যুবক তার কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে মুখ চেপে ধরেন। এ সময় শিরিনের দুই সন্তান ছুটে এলে তাদের কপালেও পিস্তল ঠেকিয়ে ভয় দেখান তারা। একজন কৌশলে বারান্দায় গিয়ে ডাকাত বলে চিৎকার দিলে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা ভবনটির প্রধান গেট আটকে দেয়। এরপর তারা দুজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুর রাশিদ জাগো নিউজকে বলেন, আটক দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি তারা ওই বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। একটি রিভালবারসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।


সোর্স: জাগো নিউজ ২৪/মাহফুজুর রহমান নিপু/এসজে/এএসএম

Share:

যুগান্তরের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


যুগান্তরে ২৫ মে ‘সাভারে তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাভার প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক জাভেদ মোস্তফা। প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেন, সংবাদে সাভার প্রেস ক্লাব নিয়ে যে তথ্যটি দেওয়া হয়েছে তা সত্য নয়। ২০১৮ সালে সর্বশেষ সাভার প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের পর ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো নির্বাচন হয়নি। এ অবস্থায় ক্লাবের অচলাবস্থা নিরসনে উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠনসহ ক্লাবের ৬ জন জ্যেষ্ঠ সদস্যের সমন্বয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে। ছাত্রলীগ বা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন দিয়ে প্রেস ক্লাব দখলের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

Share:

বকেয়া পরিশোধের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ সাভারে

রোববার (২৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারের উলাইল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এইচআর টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানার সামনে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন।
সাভারে বকেয়া পরিশোধ না করে অব্যাহতি পত্রে স্বাক্ষর নিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে দাবি করে বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের দাবিতে কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা জানায়, কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আইনগত বকেয়া পরিশোধ না করে জোরপূর্বক অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে বের করে দেয়। তাই পাওনাদি পরিশোধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

শ্রমিক মো. রতন হোসেন বলেন, আমি ২০০৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কাজ করেছি। কিন্তু আমাদের হঠাৎ করেই কর্তৃপক্ষ ছাঁটাই করেছেন। তারা আইনগত পাওনাদি পরিশোধ করেনি। এই মুহূর্তে আমরা অনিশ্চয়তায় ভুগছি। এখন আমরা চাকরিও পাচ্ছি না। আমরা অমানবিক জীবনযাপন করছি। আমরা বাসা ভাড়া দিতে পারছি না।

এ ব্যাপারে টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সাভার আশুলিয়া ধামরাই আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রতন হোসেন মোতালেব বলেন, অন্যায়ভাবে শ্রমিকদের সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে কাজ থেকে বিরত রেখে কারখানা কর্তৃপক্ষ অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। অবিলম্বে শ্রমিকদের আইনগত বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানাচ্ছি। আমরা শ্রমিকদের টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়েছি। তাদের শ্রমিকদের বেতন শ্রমিকদেরই পরিশোধ করবেন। আমরা আমাদের হাতে শ্রমিকদের বেতন চাইব কেন?

এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর সাভার ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. সুলতান মাহমুদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিষয়টি নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করার চেষ্টা করছি।

কারখানার অ্যাডমিন ম্যানেজার মো. মনির হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, যে কয়েকজন জমায়েত হয়েছেন তার মধ্যে আমাদের মাত্র ৫-৬ জন শ্রমিক রয়েছে। শ্রমিকরা আইন অনুযায়ী টাকা পাচ্ছেন। শ্রমিকরা শিডিউল অনুযায়ী রিজাইনের টাকা পাবেন এবং পাচ্ছেন। তবে শ্রমিক নেতারা আমাদের কাছে যা চাচ্ছেন তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের শ্রমিকদের যদি কিছু পাওনা থাকে, তাদের সরাসরি কারখানা দেবে। কিন্তু শ্রমিক নেতাদের হাতে টাকা দেওয়া হবে না।

সোর্স: ঢাকা পোস্ট ডট কম।

Share:

ডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান জানান, শর্ট সার্কিট থেকেই এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে

ছবিঃডা. মোহাম্মদ এনামুর রহমান(সংগৃহিত)

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুর্যোগ নিয়ে করণীয় নির্ধারণ এবং দুর্যোগ মোকাবেলার পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এফ আর টাওয়ারের ঘটনায় দেখা গেছে, আটতলায় শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। আট, নয় ও ১০ তলা পর্যন্ত আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ধোঁয়ার কারণে ১১ ও ১২ তলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চকবাজারের চুড়িহাট্টা, বনানী এফ আর টাওয়ার, গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে আজকের সভায় আলোচনা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া এসব ঘটনায় আমাদের মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধের বিষয়ে প্রতিনিধিরা মতামত দিয়েছেন। অগ্নিপ্রতিরোধে প্রত্যেকটি ভবনের অনুমোদন দেয়ার আগে ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন। পানি সরবরাহে বেশি পরিমাণে ওয়াটার হাইড্রেন্ট নির্মাণের জন্য ওয়াসার প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে।’

গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে। ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২8 জন। আহত হন ১৩০ জন ।

এ ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি গত ৭ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
Share:

সাভারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ছবিঃ সংগৃহিত
সাভারে মহসিন খান নামের (২৪) এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নববর্ষের প্রথমদিন রবিবার দিবাগত রাত ৮টারদিকে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডের চৌরঙ্গী মার্কেটের সামন থেকে তাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরহ চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত যুবক সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়নের পানধোয়া এলাকার সিরাজ খানের ছেলে। এলাকায় সে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারি হিসেবে পরিচিত। তবে পরিবারের দাবী সে সবজি ব্যবসায়ি। পুলিশ ধারণা করছে, মহসিন মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে খুন হয়ে থাকতে পারে। তবে তার হত্যাকান্ডের স্থান নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, রবিবার রাতে মহসিন তার বন্ধু দীপুর সাথে মটরসাইকেলযোগে আশুলিয়ার গকুলনগর এলাকায় বৈশাখী মেলায় বেড়াতে যায়। এসময় দীপু তাকে কৌশলে অপরাপর সন্ত্রাসীদের সহায়তায় কুপিয়ে গুরতর আহত করে। এক পর্যায়ে দীপুই চিকিৎসার কথা বলে মটরসাইকেলযোগে তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পথে আহত মহসিনের শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে সাভার বাসস্ট্যান্ডে মটরসাইকেলের ওপর নেতিয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে চৌরঙ্গী সুপার মার্কেটের সামনে মটরসাইকেল থামিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্য একটি ওষুধের দোকানে নিয়ে যায়। এ সময় প্রচুর রক্তক্ষরণের দৃশ্য দেখে দোকানী ও উপস্থিত লোকজন ভড়কে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী চান মিয়া, তোফাজ্জেল আলমসহ কয়েকজন জানান, মটরসাইকেল থেকে নামানোর পরপরই ঘটনাস্থলে অনেক রক্ত পরতে দেখেন তারা। সম্ভবত ওই সময়েই তার মৃত হয়। তবে এ সময় লোকজনের ভীড় ও পরিস্থিতি দেখে মহসিনকে ফেলে মটরসাইকেল চালিয়ে দীপু পালিয়ে যায়। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মহসিন আহত হয়েছে বলে তার পরিবারের সদস্যদের ফোন করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বলে দীপু।
এদিকে পানধোয়ার একাধিক সূত্র জানায়, গকুলনগর মেলা স্থানের কাছেই মহসিনকে রবিবার সন্ধ্যার পর পরই ছুরিকাঘাত করা হয়। নিহত মহসিন তার পালিয়ে যাওয়া বন্ধু দিপু, মাসুদসহ একটি চক্র এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ওই যুবক মাদক ব্যবসায়ি। তবে সে সাভারে সবজী বিক্রি করতো বলে দাবী করেছেন তার বাবা।
এবিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্য ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। কারণ মহসিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সেই হিসেবে মামলা আশুলিয়া থানায় হওয়ার কথা। তবে  নিহত যুবকের বন্ধু দীপুকে আটক করার চেষ্টা চলছে। তাকে ধরতে পারলে হত্যার মূল মোটিভ জানা যাবে। সর্বপরি হত্যাকারীদের আটকের প্রক্রিয়া চলছে।
Share:

সাভারে বৈশাখি মেলারর উদ্বোধন করেন মঞ্জুরুল আলম রাজীব

ছবিঃ সংগৃহীত


ভাগলপুর বালুর মাঠে বৈশাখি মেলারর উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পদ  ও সাভার উপজেলা পরিষদের  নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানে জন নেতা জনাব মঞ্জুরুল আলম রাজীব  এবং তার এক মাত্র পুত্র আমাদের নয়ন মনি আইয়ান রাজীব বর্ষণ।
ছবিঃ সংগৃহীত

Share:

সাভারে হুমায়ুন কবীর নিহত, আটক ৫

হুমায়ুন কবীর সরকার: সংগৃহীত   

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের পানপাড়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে আজ রোববার হুমায়ুন কবির সরকার নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে কুপিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত দুজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

হুমায়ুন কবির সরকার (৪০) সাভারের ভরারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ব্যবসা করতেন।

সাভার ট্যানারি ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) অখিল রঞ্জন সরকার বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হুমায়ুন কবির সরকার স্থানীয় রাজফুলবাড়িয়া বাজারে তাঁর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে একই এলাকার ফারুক হোসেন ওরফে পারভেজ ও আলমগীরের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৩২ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ধলেশ্বরী নদীতে লাফিয়ে পড়ে সাঁতরে অপর পাড়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ট্রলার নিয়ে পারভেজ ও আলমগীর তাঁদের লোকজনসহ হুমায়ুনকে ধরে পানির মধ্যেই এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। একপর্যায়ে টেটাবিদ্ধ করে তাঁকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়ানে পুলিশ এসব তথ্য জেনেছে বলে তিনি জানান।

মামলার বাদী হুমায়ুনের ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের দাবি, পারভেজ ও আলমগীর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাঁদের অপকর্মে বাধা দেওয়ায় তাঁরা তাঁর ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা বলেন, পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে হুমায়ুন কবিরকে হত্যার অভিযোগ করা হলেও তাঁর লাশ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ও স্থানীয় লোকজন নদীতে তল্লাশি করে লাশের হদিস করতে পারেনি। আজ সকালে পানপাড়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে তাঁর লাশ ভেসে ওঠে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার হুমায়ুন কবিরের ভাই জাহাঙ্গীর আলম সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় ফারুক হোসেন ওরফে পারভেজ, আলমগীরসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৩২ জনকে আসামি করা হয়।
এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, মামলা দায়েরের পর ওই দিন রাতেই আমিরুল ইসলাম (৩৭), সজিব (১৯), ট্রলারের মাঝি মোশারফ হোসেন (৪৫), রুস্তম আলী (৩২) ও দেলোয়ার হোসেনকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল শনিবার তাঁদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করে আমিরুল ও দেলোয়ারের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত তাঁদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সজিব ও মোশারফ হোসেন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ায় আর রুস্তম অসুস্থ থাকায় আদালত তাঁদের জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন।

ট্যানারি ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক গোলাম নবী বলেন, পারভেজ, আলমগীর ও হুমায়ুন কবীর একসময় একই দলভুক্ত ছিলেন। নানা কারণে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। সম্ভবত ওই দ্বন্দ্বের জের ধরেই হুমায়ুন কবিরকে হত্যা করা হয়েছে।
Share:

অবশেষে হুমায়ুন কবীর সরকারের লাশ উদ্ধার


সাভার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ন কবির সরকার। এর ভাসমান লাশ উদ্ধার সকাল ৮ ঘটিকার দিকে।
 উদ্ধার  ফায়ার সার্ভিস।

Share:

এক জন আদর্শ জননেতা

সাভার-আশুলিয়ায় মঞ্জুরুল আলম রাজীব একজন পরীক্ষিত মুজিব সৈনিকের নাম। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে, প্রতিটি লড়াই সংগ্রামে তিনি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। আওয়ামী রাজনীতিতে তার এ ত্যাগ সাভারের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বুধবার (১০ এপ্রিল) দৈনিক খবর বার্তাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক মাসুদ খান রানা। এসময় তিনি মঞ্জুরুল আলম রাজীবের মতো একজন যোগ্য ও জনবান্ধব নেতাকে সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনোনীত করায় সাভার-আশুলিয়াবাসীকে অভিনন্দন জানান।
এসময় মাসুদ খান রানা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য মঞ্জুরুল অালম রাজীবের পরিশ্রম মূল্যায়ন করতে গেলে তার আজকে সংসদ সদস্য থাকার কথা ছিলো। কিন্তু দীর্ঘদিন পরে হলেও দল থেকে নির্বাচন করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি আমলে মঞ্জুরুল আলম রাজীবকে পুলিশের পিক আপ ভ্যানের পিছনে বেঁধে পুরো সাভার ঘুরানো হয়েছিল। রক্তে সারা শরীর ভিজে গেছিল তার। তারপর আওয়ামী-লীগ ছাড়েননি তিনি। সে সময় বিএনপির নাজমুল হুদা তাকে বিএনপিতে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করে। কিন্তু এত নির্যাতন সহ্য করার পরও আওয়ামী-লীগের রাজনীতি ছেড়ে দেননি তিনি। বুকে ধারণ করেছেন মুজিব আদর্শ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য কাজ করে গেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন
Share:

Recent Posts