সব খবর একসাথে

Coming soon

সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

Showing posts with label বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label বিজ্ঞান. Show all posts

ইভ্যালির ব্যাংক হিসাব খুলে দেওয়া হয়েছে

Evaly


অনলাইন শপিং সাইট ইভ্যালিডটকমডটবিডির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেলসহ প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাব খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান, এমডিসহ ইভ্যালির ব্যাংক হিসাব স্থগিতাদেশের মেয়াদ আর বৃদ্ধি করা হয়নি।


ফলে আগের মতই খুলে গেলো সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাব।সুত্র জানায়, ইভ্যালির বিষয়ে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি এখন তদন্ত করবে গোয়েন্দা সংস্থা।


এর আগে চলতি বছরের ২৭ আগস্ট দেশে কার‌্যরত সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠিয়ে চেয়ারম্যান, এমডিসহ ইভ্যালির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার পাশপাশি লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছিল তিন কর্মদিবসের মধ্যে। চিঠিতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নামের পাশে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও উল্লেখ করা হয়।


ইভ্যালির বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ওঠায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও এমডির ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখার জন্য বিএফআইইউ এই উদ্যোগ নিয়েছিল।


অস্বাভাবিক ক্যাশ ব্যাক অফার দিয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে দীর্ঘ সময় পরে পণ্য সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

Share:

কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি

 কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি


দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ব্যবহার হতে এখনো অনেক দেরি। তবে এ প্রযুক্তিতে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। গত অক্টোবরে গুগলের গবেষকেরা এমন একটি যন্ত্র তৈরির ঘোষণা দেন, যা প্রচলিত কম্পিউটারের সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। এর বাইরে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) ও মাইক্রোসফট কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে কাজ করার কথা বলেছে।
ইনটেল মূলত কোয়ান্টাম ক্ষেত্রে দুই ধরনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দুটি পদ্ধতিতেই কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কোর গঠনের বিষয়টি পরীক্ষা করা হয়। কোয়ান্টাম কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ মূলত ‘কিউবিটস’ পদ্ধতিতে কাজ করে। অনেক কোয়ান্টাম কম্পিউটারে কিউবিটসে খুব শীতল রাখতে হয়। বিশেষ রেফ্রিজারেটরে এমনভাবে রাখতে হয়, যেখানে পরমাণুর ঘূর্ণন বন্ধ হয়ে যায়। তারের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে বা গ্রহণ করতে কিউবিটের সঙ্গে সংযুক্তির বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন। বেশির ভাগ তার ও ইলেকট্রনিকস বিশেষ রেফ্রিজারেটরের বাইরে থাকতে হবে।
ইনটেলের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অরিগনের সবচেয়ে শীতল জায়গার নাম অনুযায়ী তাদের চিপের নাম রাখা হয়েছে। তারা এ চিপ এমনভাবে তৈরি করেছে, যাতে কোয়ান্টাম রেফ্রিজারেটরের ভেতরে স্থাপন করা যায়। এর ফলে ভবিষ্যতে কোয়ান্টাম কম্পিউটার বাস্তবে তৈরির পথে অনেকখানি এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
ইনটেলের কোয়ান্টাম হার্ডওয়্যারের পরিচালক জিম ক্লার্ক বলেছেন, তাঁদের তৈরি কোয়ান্টাম কন্ট্রোল বিষয়টি ধাঁধার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ছিল। বড় আকারের বাণিজ্যিক কোয়ান্টাম সিস্টেম তৈরি করতে গেলে এ সমস্যার সমাধান করা জরুরি ছিল।

প্রচলিত সাধারণ কম্পিউটারে যে হিসাব করতে শত শত বছর লাগে, তা কোয়ান্টাম কম্পিউটারে সেকেন্ডের মধ্যেই সেরে ফেলা সম্ভব। কিন্তু কোয়ান্টাম ডিভাইস তৈরিতে এর যন্ত্রপাতির সঙ্গে অসংখ্য তারের ব্যবহার বিভিন্ন ছবিতে দেখা গেছে। তবে গত সোমবার চিপ নির্মাতা ইনটেল ঘোষণা দিল তাদের ব্যবহার পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে তারা।
তারা ‘হর্স রিজ’ নামের এমন একটি চিপ তৈরি করেছে, যাতে তারের সব কাজ হয়ে যাবে এবং তা আকারে খুবই ছোট।
Share:

ফেসবুক : মানুষের ব্যক্তিগত যোগাযোগ নিরাপদ হতে হবে


ফেসবুকের ভিআর প্রযুক্তি দেখছেন এক নারী
ফেসবুকের এ অঞ্চলের প্রাইভেসি অ্যান্ড পাবলিক পলিসি ম্যানেজার আরিয়েন জেমিনেজ বলেন, ডেটা নীতিমালা আরও স্বচ্ছ ও সহজ করা হয়েছে। প্রাইভেসি শটকার্টকে নতুন করে সাজানো হয়েছে। ফেসবুক ব্যবহারকারী যাতে এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপদে থাকেন, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
 মানুষের ব্যক্তিগত যোগাযোগ নিরাপদে রাখতে কাজ করছে ফেসবুক। ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে (প্রাইভেসি) গুরুত্ব দিয়ে ব্যবহারকারীর হাতে বেশি নিরাপত্তা দিতে ও তথ্য সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। সোমবার সিঙ্গাপুরে মেরিনা ওয়ানে এশিয়া প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ফেসবুকের কর্মকর্তারা।

সিঙ্গাপুরে ফেসবুকের আঞ্চলিক অফিসে এপিএসি প্রেস ডে নামের আয়োজনে এশিয়া প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে ব্যবহারকারীদের আরও বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি ভুয়া খবর ঠেকাতে ফেসবুকের গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে জানান এই অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান নিয়ারি। ড্যান নিয়ারি বলেন, ‘আমরা কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে এশিয়া প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে নির্বাচন সুরক্ষা। আমরা মেশিন লার্নিং ও এআই ব্যবহার করে প্রাইভেসি সুরক্ষার পাশাপাশি বাজে কনটেন্ট শনাক্তে কাজ করছি। পরের ধাপ হচ্ছে ভুয়া তথ্য ও খবরের সঙ্গে লড়াই করা। প্রাইভেসি ট্রান্সপারেন্সি ও কন্ট্রোল ফেসবুক ব্যবহারকারীদের দিতে কাজ করছি। টেক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পোর্টাল, অকুলাস সিস্টেমের পণ্য তৈরি হবে।’
ড্যান নিয়ারি পূর্বাভাস দেন, ভিআর মূলধারায় চলে আসবে। তাই ফেসবুক এখন ভিআর ও কনটেন্টকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এর বাইরে মেসেজিং ও ডেটিং সাইট নিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।অনুষ্ঠানে ফেসবুকের লিবরা মুদ্রা ও পে সিস্টেম নিয়েও আলোচনা হয়। এশিয়া অঞ্চলে এই সুবিধা বাড়ানোর কথা বলা হয়। এপিএসি প্রেস ডে উপলক্ষে বিভিন্ন সেশনে ফেসবুকের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
Share:

কাজ শুরু হলো ৬-জি ফোন নিয়ে- ভিভো

ফাইভ-জি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই ৬-জি-এর খবর নিয়ে হাজির চীনা প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ভিভো। মূলধারায় ৫-জি স্মার্টফোন আসার আগেই ৬-জি নেটওয়ার্ক সমর্থিত স্মার্টফোন তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এখনো ৬-জি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি নিয়ে কারও তেমন ধারণাই নেই। এর মান কী হবে, কীভাবে কাজ করবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই। তবে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভিভো ৬-জির লোগোর পেটেন্ট করিয়ে রাখছে।
কাজ শুরু হলো ৬-জি ফোন নিয়ে- ভিভো

সম্প্রতি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিসে ওই পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছে ভিভো। যখন ৬-জি নেটওয়ার্ক চালু হবে এবং ভিভোর স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হবে, তখন ওই লোগোটি ভিভো স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, আগেভাগে বাজার ধরতে এবং প্রচারের জন্য ভিভো ৬-জি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। চীনের আরেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে বর্তমানে ৫-জি প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পরীক্ষা চালাচ্ছে। হুয়াওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের আগে ৬-জি চালু করা সম্ভব হবে না। ভিভো সম্প্রতি চীনের বাজারে ৫-জি সুবিধার ফোন নেক্স থ্রি উন্মুক্ত করেছে। ৬ দশমিক ৮৯ ইঞ্চি মাপের ওয়াটারফল ডিসপ্লেযুক্ত ফোনটিতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ প্রসেসর, ইন স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সুবিধা রয়েছে। পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ থেকে এগিয়ে থাকতে চীন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাংহাইয়ের একটি জেলায় ৫-জি নেটওয়ার্ক চালু করতে যাচ্ছে দেশটি। বর্তমান ৪-জি নেটওয়ার্কের তুলনায় ৫-জি নেটওয়ার্কে ১০ থেকে ১০০ গুণ পর্যন্ত ডাউনলোড গতি পাওয়া যাবে।
Share:

লাইসেন্স পেলেও কাজে নামতে পারেনি ৪ টাওয়ার কোম্পানি

ছবিঃ সংগৃহিত 

নেটওয়ার্ক উন্নয়নের কাজ ৬ মাস ধরে থমকে গেলেও ভ্রূক্ষেপ নেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির। অভিযোগ উঠেছে, মোবাইল ফোন অপারেটরদের অনীহার কারণে কালক্ষেপণ চলছে। আগামী ৬ মাসেও কাজ শুরুর সম্ভাবনা নেই।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের অবস্থা খুবই খারাপ। অন্য অপারেটরদের কলেও হচ্ছে নানা ভোগান্তি।

গত ৬ থেকে ৮ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার ১৫টি এলাকায় বিটিআরসি কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) পরীক্ষা চালায়। এতে যান্ত্রিকভাবে ৯০ সেকেন্ডের ৩ হাজার ৩০০টি কল করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, গ্রামীণফোনের কল ড্রপ হার ৩.৩৮ শতাংশ, রবির কল ড্রপ ১.৩৫ শতাংশ, বাংলালিংকের ০.৫৮ শতাংশ ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটকের ১.৫৮ শতাংশ।

এতে আরও বলা হয়, গ্রামীণফোনে সংযোগের জন্য গড় ১০.১৪ সেকেন্ড সময় লেগেছে। পাশাপাশি রবিতে ৬.১৫ সেকেন্ড, বাংলালিংকে ৭.৬৯ সেকেন্ড ও টেলিটকে ৭.১১ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হয়েছে।

ডায়াল করা নম্বরে সংযোগ পাওয়ার জন্য বিটিআরসির আদর্শ অপেক্ষার সময় ৭ সেকেন্ড। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে চারটি টাওয়ার কোম্পানিকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে।

লাইসেন্স প্রদান প্রসঙ্গে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে দেশে মোবাইল প্রযুক্তির বিকাশে আরও একটি নতুন মাইলফলক।

তিনি বলেন, সরকার লাইসেন্স দিয়েছে কাজেই যে যত টালবাহানা করুক এর বাস্তবায়ন হবে। এ নিয়ে কেউ কোনো অনিয়ম করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গ্রামীণফোনের পরিচালক এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন্স সৈয়দ তালাত কামাল যুগান্তরকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স পাওয়ার আগ পর্যন্ত অপারেটরদের কাছে যেসব টাওয়ার আছে সেগুলোর মালিক হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অপারেটর।

নতুন লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলো যদি এসব টাওয়ার নিতে চায় তাহলে নির্দিষ্ট মূল্য দিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, যদি এই মূল্য নির্ধারণে অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানিগুলো ব্যর্থ হয় তাহলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অর্থ সংকটে দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোন অপারেটররা তাদের নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে পারেনি। এ অবস্থায় টাওয়ার বিক্রি থেকে যে অর্থ পাবে তা যদি নতুন টেকনোলজি ও নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ করে তবে গ্রাহকরা উপকৃত হতে পারেন।

গত বছর নভেম্বর মাসে চারটি কোম্পানিকে মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার অবকাঠামো ভাগাভাগি সংক্রান্ত টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স দেয় সরকার।

ইডটকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিডেট, সামিট পাওয়ার লিমিটেড, কীর্তনখোলা টাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেডকে টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স দেয়া হয়।

আইন অনুযায়ী লাইসেন্স দেয়ার পরদিন থেকেই মোবাইল ফোন অপারেটররা আর টাওয়ার ব্যবসা করতে পারবেন না। তাদের নিজস্ব টাওয়ারগুলোও লাইসেন্স পাওয়া ৪ টাওয়ার কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিতে হবে।

এরপর তাদের কাছ থেকে ভাড়া বা বৈধ পন্থায় টাওয়ার সেবা নিতে হবে। কিন্তু বিক্রি দূরের কথা এখন পর্যন্ত টাওয়ারের মূল্য পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিতে পারেনি বিটিআরসি। এ সুযোগে বিদেশি একটি কোম্পানির দখলে চলে গেছে টাওয়ার ব্যবসার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে চলতে থাকলে আগামী ১ বছরের মধ্যে মোবাইল নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এতে গ্রাহক সেবায় ব্যাঘাতসহ সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রমও ভেস্তে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ এর আগেও অপারেটরদের কারসাজিতে নম্বর পরিবর্তন না করে অপারেটর পরিবর্তন অর্থাৎ এমএনপি সেবা চালু করতেও দীর্ঘদিন সময় লেগেছে।

শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হস্তক্ষেপে চালু করা সম্ভব হয় ওই সেবা। এবার লাইসেন্স পাওয়ার ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো টাওয়ার কোম্পানি তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে লাইসেন্স পাওয়া এক অপারেটর যুগান্তরকে বলেন, ইতিমধ্যে গড়ে প্রতিটি কোম্পানি ৪৫ থেকে ৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ইডটকোর এই বিনিয়োগ আরও অনেক বেশি।

পুঁজি নিয়ে কাজের জন্য অপেক্ষা করছে ৩ কোম্পানি। কিন্তু সরকার ও অপারেটরদের কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন না।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে তাদের একাধিক বৈঠক হয়েছে। অপারেটররা কালক্ষেপণের জন্য বিদ্যমান টাওয়ারের আকাশ কুসুম দাম হাঁকাচ্ছে। নানা টালবাহানা করছে।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় বিপুল ব্যয়ের পাশাপাশি টাওয়ারের অনিয়ন্ত্রিত সংখ্যা, ভূমি ও বিদ্যুতের সংকট ছাড়াও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাবের বিভিন্ন দিক বিবেচনায় মানসম্মত টেলিযোগাযোগ সেবা দেয়ার লক্ষ্যে এ লাইসেন্স দেয়া হয়।

এর ফলে মোবাইল টাওয়ার লাইসেন্স রোল আউটের ওপর ভিত্তি করে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কোনো নতুন টাওয়ার স্থাপন করতে পারবে না।

এছাড়া এক অপারেটর আরেক অপারেটরের কাছে আর টাওয়ার ভাড়া দিতে পারবে না। তবে লাইসেন্স পাওয়া টাওয়ার কোম্পানির কাছে তাদের টাওয়ার বিক্রি করতে পারবে।

লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম বছরে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের সব বিভাগীয় শহরে সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে। দ্বিতীয় বছর জেলা শহর, তৃতীয় বছর ৩০ শতাংশ উপজেলা, চতুর্থ বছর ৬০ শতাংশ উপজেলা ও পঞ্চম বছর দেশের সব উপজেলায় টাওয়ার সেবা দিতে হবে।

টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্সের জন্য লাইসেন্স ফি ২৫ কোটি টাকা, বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় বছর থেকে বিটিআরসির সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগি হবে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হারে। এছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে জমা দিতে হবে ১ শতাংশ হারে। লাইসেন্সের মেয়াদকাল ১৫ বছর।

বিটিআরসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, লাইসেন্স পাওয়ার পর ইতিমধ্যে অনেকদিন পার হয়ে গেছে। লাইসেন্স পাওয়া এক অপারেটর ইতিমধ্যে নতুন টাওয়ার নির্মাণ শুরু করে দিয়েছে।

এ কারণে তারা চাচ্ছেন বাকি ৩ অপারেটরও যেন দ্রুত কাজ শুরু করতে পারেন। এ লক্ষ্যে শিগগিরই তারা নতুন ৪ টাওয়ার অপারেটর ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে যৌথ মিটিং করবেন।
Share:

ভাজ করা ফোন নিয়ে আসছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলো

ছবিঃ সংগৃহিত 
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অফিসে (উইপো) করা আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মোড়ানো সুবিধার স্মার্টফোন গুরুত্ব দিয়ে তৈরির কথা ভাবছে এলজি। ওই আবেদনে স্মার্টফোনের কোডনেম ছাড়া বিশেষ কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। নতুন স্মার্টফোনের কোডনেম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দ্য রোল, ডাবল রোল, ই রোল, সিগনেচার আর, আর স্ক্রিন, আর ক্যানভাস, ডুয়াল রোল, রোল ক্যানভাস, বাই রোল ও রটোলো।

এলজি এর আগে মোড়ানো সুবিধার টেলিভিশন বাজারে এনেছে। তখন থেকেই এলজির মোড়ানো সুবিধার ফোন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অবশ্য, পেটেন্ট আর ট্রেডমার্ক করা হলেও অনেক সময় সে পণ্য বাজারে ছাড়ে না প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে বাজারে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা ফোল্ডেবল ফোন আলোর মুখ দেখায় মোড়ানো ফোন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ জানিয়েছে, শুধু মোড়ানো স্মার্টফোন নয়, ভাঁজ করা স্বচ্ছ স্মার্টফোন আনতে পারে এলজি। ২০১৫ সালে ট্রান্সপারেন্ট ফোল্ডেবল ডিসপ্লের পেটেন্ট করে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল ফোন ইতিমধ্যে বাজারে আনতে কাজ শুরু করেছে হুয়াওয়ে ও স্যামসাংয়ের মতো প্রতিষ্ঠান। এবারে ভাঁজযোগ্য ফোনকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান এলজি। তারা এমন একটি ফোন তৈরি করছে, যা মোড়ানো বা রোল করে রাখা যাবে। ইতিমধ্যে এ ধরনের স্মার্টফোন তৈরির জন্য ১০টিরও বেশি পেটেন্টের আবেদন করেছে এলজি কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট লেটস গো ডিজিটালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
Share:

Recent Posts