সব খবর একসাথে

Coming soon

সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

Showing posts with label বিএনপি. Show all posts
Showing posts with label বিএনপি. Show all posts

খালেদা জিয়া কি লন্ডন যাচ্ছেন চিকিৎসার জন্য

খালেদা জিয়া কি লন্ডন যাচ্ছেন চিকিৎসার জন্য











বিএনপিসূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়া এ আদেশের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করবেন। এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বিএনপি। এরই মধ্যে দলের বেশ কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খালেদা জিয়ার হয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হতে পারে। পাশাপাশি তাঁর স্থায়ী জামিনের জন্য আইনজীবীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এ প্রসঙ্গে খালেদা জিয়ার আইনজীবী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বেগম জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাবেন কিনা সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি দেওয়া হয়েছে। করোনার কারণে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়নি। তাঁর সম্পূর্ণ চিকিৎসা হয়নি। প্রয়োজনবোধে আবারও সরকার মানবিক কারণে তাঁর মুক্তির সময়সীমা বাড়াতে পারে

তবে এর জন্য আবেদন করতে হবে। সেটা পরিবার করতে পারে। ’
এদিকে বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যরা জানান, আপাতত বাসায় থেকেই তাঁর লন্ডনে থাকা পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমানের পরামর্শে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। এটাই চলবে। তা ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের সিনিয়র চিকিৎসকের একটি দল বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন। বেগম জিয়ার সেজ বোন সেলিমা ইসলাম গতকাল বিকালে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘কেউ কেউ গুজব ছড়াচ্ছে খালেদা জিয়া লন্ডন যাচ্ছেন। এমন কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই। তা ছাড়া ঢাকা-লন্ডন দুই জায়গায় প্রাণঘাতী করোনা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করছে। এ মুহূর্তে বিমানবন্দরে যাওয়াই যেখানে ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে এ ধরনের চিন্তাভাবনা তো মাথায় আসছে না। ’

সূত্র জানান, কয়েকদিন আগে বেগম খালেদা জিয়ার এক ঘনিষ্ঠজন তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসার বিষয়টি আলোচনায় এলে ঘনিষ্ঠ ওই নেতা জানতে চান, ‘আপনার যে শারীরিক অবস্থা তাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে কিছু ভাবছেন কিনা। ’ জবাবে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ‘দেশে এবং বিশ্বের যে পরিস্থিতি তাতে এ মুহূর্তে যাওয়া ঠিক হবে না। ’ ওই নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, আপাতত চেয়ারপারসন বিদেশ যাচ্ছেন না, তা তাঁর মনোভাব দেখেই বোঝা গেছে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বেগম জিয়া কোথায় যাবেন? লন্ডন, সেখানেও তো দ্বিতীয় ধাপে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গণমাধ্যমে কিছু গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার জানা মতে বেগম জিয়ার এ নিয়ে কোনো চিন্তাভাবনাই নেই। ’ ৭৪-ঊর্ধ্ব বেগম খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর হাত ও পায়ের গিরায় গিরায় ব্যথাও আছে। মুক্তির পর এখনো খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা শুরু হয়নি। করোনার কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় দলীয় চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি টিম রয়েছে। তাঁদের এক-দুজন নিয়মিত তাঁর শারীরিক অবস্থার ফলোআপ করছেন। এ ছাড়া পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান নিয়মিত তাঁর চিকিৎসার তদারকি করছেন। করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নতুন করে চিকিৎসা শুরু করবেন তিনি। করোনাভাইরাসের কারণে ২৫ মার্চ থেকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ আছে। এ সময়ের মধ্যে কারও আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। গণমাধ্যমে খবর আসে- সম্প্রতি খালেদা জিয়া এবং তাঁর গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম ব্রিটিশ ভিসা নিয়েছেন। বিষয়টি ‘সত্য’ নয় বলে জানা গেছে।
উন্নত চিকিৎসায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লন্ডন যাওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। বেগম জিয়ার পারিবারিক ও দলের সূত্র বলছেন, আপাতত লন্ডন যাচ্ছেন না তিনি। তা ছাড়া শর্তসাপেক্ষে মুক্তি নিয়ে তিনি বিদেশ যেতে চান না। করোনা পরিস্থিতি ভালো হলে উচ্চ আদালতে আবারও জামিন চাইবেন বিএনপিপ্রধান।
সেখানে জামিন পেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার চিন্তাভাবনা করবেন।
অবশ্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘বেগম জিয়াকে যে দুই শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তাতে তার দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ’ টানা ২৫ মাস কারাবন্দী থাকার পর চলতি বছরের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জন্য জামিনে মুক্তি পান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর জামিনের মেয়াদ শেষ হবে। মানবিক কারণ ও বয়স বিবেচনায় খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়। শর্তে বলা হয়- বেগম জিয়া তাঁর ঢাকার বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন ও বিদেশে যেতে পারবেন না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্তের কথা সরকার জানায়।


Share:

প্যারোলের মুক্তির বিষয়টি তার একটা বিষয়ঃ ফখরুল

ছবিঃমির্জা ফখরুল(সংগৃহিত)

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি একান্তই খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের বিষয় বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা জানান মির্জা ফখরুল।  
এসময় তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। তাই প্যারোলের মুক্তির বিষয়টি তার একটা বিষয়।আরেকটা তার পরিবারের বিষয়।  প্যারোলের বিষয়টি আমাদের দলের না।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার এবং দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলমান রয়েছে।

আমরা আজকে শপথ নিয়েছি আমাদের আন্দোলন বেগবান করব। বাংলা নববর্ষে তিনিসহ দলের তিনজন নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান ফখরুল।
তিনি বলেন, দেশনেত্রী দলের খোঁজখবর নিয়েছেন, দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে ও জাতীয় ঐক্য অটুট রাখতে বলেছেন এবং দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
কেউ কেউ বলছেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তির বিনিময়ে বিএনপি সংসদে যাবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ রকম কোনো ইনফরমেশন আমাদের কাছে নেই।  
Share:

খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ, জানালেন ফখরুল

রোববার বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন বিএনপির মহাসচিব। মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি নেতাদের কথা হয়।

এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম বেশ অসুস্থ, অত্যন্ত অসুস্থ। উনি খেতে পারছেন না এখনো। এখনো তিনি পা বেন্ড করতে পারেন না। তাঁর বাম হাত সেই আগের মতোই রয়ে গেছে। অর্থাৎ বাম হাতটায় কাজ করতে পারছেন না। এই অবস্থার মধ্যে তিনি আছেন। এককথায় ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যথেষ্ট অসুস্থ আছেন। আগের চেয়ে খুব বেশি ইম্প্রুভ করেছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা বারবার যেটা বলেছিলাম, তাঁর স্পেশালাইজড ট্রিটমেন্ট দরকার। সে ট্রিটমেন্ট এখনো শুরু হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি। আজকেও আমরা বলছি, খালেদা জিয়ার পছন্দমতো বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসকদের দিয়ে তাঁর চিকিৎসা করানো হোক। এটা জরুরি।’
পয়লা বৈশাখে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ কথা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘ম্যাডাম দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বলেছেন, দেশবাসী যেন সচেতন হয় এবং এর জন্য কাজ করে।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া ‘অত্যন্ত অসুস্থ’। আজ রোববার বিকেলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখে এসে তিনি এ কথা জানান।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে দলের চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন। ১ এপ্রিল থেকে খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই হাসপাতালে আসার পর এবারই প্রথম নেতাদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎ হলো।
Share:

বিএনপি নেতারা নুসরাতের বাড়িতে



পরীক্ষাকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে নিহত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসারছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির কবর জিয়ারত ও তার পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

শনিবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদসহ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাফির বাড়িতে যান। 

বিএনপির প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান ও আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাকিল, নির্বাহী সদস্য আবদুল লতিফ জনি, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায়, নির্বাহী কমিটিরসহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক রেহানা আক্তার রানু, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিস্টার প্রমুখ।

এ সময় মওদুদ আহমেদ বলেন, সরকার ব্যস্ত বিরোধী দল দমন পীড়নে, নুসরাত হত্যা প্রমাণ করে যে দেশে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে।


মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। এ ঘটনাটি দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার হওয়া উচিত। এটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে সমগ্র নারী জাতির প্রতি অবমাননা হবে।

এসময় নুসরাতের বাবা মাওলানা একে এম মুসা মানিক বড় ভাই নোমানকে শান্ত্বনা দেন বিএনপি নেতারা। পরে নুসরাতের কবর জেয়ারত করেন তারা।

এসময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সরকার বিরোধী দলকে দমন-পীড়নে ব্যস্ত। কিন্তু দেশের মানুষের ভালো কিছু করেছে না তারা। মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা প্রমাণ করে যে দেশে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।
Share:

দুলু বলেন রাজপথে আন্দোলন করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে


বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) অ্যাড.এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, 'শুধু অনশন করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। তাকে মুক্ত করতে হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করে আনতে হবে। এ জন্য নেতা কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।'

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শহরের নবাববাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তার বড় ছেলে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাজা বাতিলসহ সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার সকালে গণঅনশন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। শহরের নওয়াববাড়ি সড়কে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত ওই কর্মসূচীতে দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিশ দলীয় জোটভুক্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষও অংশ নেন।
Share:

খালেদা মুক্তি পেলে ডিসেম্বরে বিএনপির কাউন্সিল


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে আগামী ডিসেম্বরে দলের ৭ম জাতীয় কাউন্সিলের আয়োজন করা হতে পারে। বছরের শেষ মাসের প্রথমার্ধকে সম্মেলনের সময় হিসেবে নির্ধারণের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। সেভাবেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় সেভাবেই দেশব্যাপী কাজ চলছে।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘সম্মেলন একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা দল গোছাচ্ছি। বিভিন্ন জেলায় মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোও নিয়মানুযায়ী গঠন করা হচ্ছে।
দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ২৫টির মতো জেলা কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে।সেগুলোর পুনর্গঠনের কাজ চলছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কৌশলকে সামনে রেখেই বিএনপিকে এবার ঢেলে সাজানো হচ্ছে। সে প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, লালমনিরহাট, খাগড়াছড়ি ও মেহেরপুর- এই পাঁচটি জেলায় পূর্ণাঙ্গ এবং নীলফামারী জেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে, রাজশাহী বিভাগের নাটোর, বগুড়া ও পাবনা। রংপুর বিভাগের পঞ্চগড়।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা। বরিশাল বিভাগের বরিশাল উত্তর জেলা, বরিশাল মহানগর ও পিরোজপুর জেলা। ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণ জেলা। ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ। সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ। চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, চাঁদপুর, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এবং কক্সবাজার জেলা। দলের সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, গঠনতন্ত্র অনুসারে প্রতি দুই বছর পর জেলা বিএনপির কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের আগেই দল এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি গঠন করা হবে। এবারের কমিটি থেকে অনেক পরিচিত মুখও বাদ পড়ে যেতে পারেন। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ত্যাগী ও যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সারা দেশে দলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি আসলে চলমান প্রক্রিয়ারই অংশ। বেশিরভাগ জেলার কমিটি গঠনের কাজই ‘ম্যাডাম’ জেলে যাওয়ার আগেই সম্পন্ন করেছিলেন। যেগুলো বাকি আছে- সেগুলোর পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। আর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর পর দলের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এটাই তো স্বাভাবিক। এবারও তা অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। দলের একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী ডিসেম্বরে কারামুক্ত বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়েই দলের জাতীয় কাউন্সিল তথা জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করতে চান তারা। এর মধ্যে দেশে ফিরতে না পারলে বিগত দুটি সম্মেলনের মতো এবারও স্কাইপির মাধ্যমেই সুদূর লন্ডন থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সম্পর্কে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা আশা করি আমাদের আগামী জাতীয় কাউন্সিল ‘দেশনেত্রী’ বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই করব। তার আগে তাঁকে আমরা কারামুক্ত করে আনব এবং বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই এদেশে আবার মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় বিএনপির সর্বশেষ ও ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন। তার আগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দলটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন।
Share:

Recent Posts