সব খবর একসাথে

Coming soon

সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

Showing posts with label পদ্মা সেতু. Show all posts
Showing posts with label পদ্মা সেতু. Show all posts

প্রথমবারের মতো আলো জ্বলল পদ্মা সেতুতে

পদ্মা সেতুতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ল্যাম্পপোস্টের বাতি জ্বালানো হয়েছে। শনিবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেতুর ১২ নম্বর স্প্যান থেকে ল্যাম্পপোস্টগুলোর বাতি জ্বালানো শুরু হয়েছে। ১৯ নম্বর স্প্যান পর্যন্ত একে একে ২৪টি বাতি জ্বালানো হবে বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের।

তিনি জানান, ১২ নম্বর পিলার থেকে শুরু করে‌ ১৯ নম্বর পিলার পর্যন্ত একে একে ২৪টি‌ বাতি আজ জ্বালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমবারের মতো সেতুর ল্যাম্পপোস্ট বাতি জ্বালানো হলো। 
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ভায়াডাক্টে প্রথম ল্যাম্পপোস্ট বসানোর কাজ শুরু হয়েছিল। ৬.১৫ কিলোমিটার সেতুতে মোট ৪১৫টি ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে মূল সেতুতে ৩২৮টি, জাজিরা প্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪৬টি, মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪১টি ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। মূল সেতুতে ল্যাম্পপোস্ট বসানোর কাজ শেষ হয়েছে গত ১৮ এপ্রিল।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি সাড়ে ৯৪ ভাগ। আর মূল সেতুর অগ্রগতি ৯৯ ভাগ। মূল সেতুর বাকি থাকা একভাগ কাজের মধ্যে ক্যাবল লেইং, রোড মের্কিং, হ্যান্ড রেলিং, মুভমেন্ট জয়েন্ট প্যারাপেট, সাব স্টেশনের কাজ চলমান আছে। এছাড়া গ্যাস পাইপ লাইন ৯৯ দশমিক ২৫ ভাগ ও ৪০০ কেভিএ বিদ্যুৎ লাইনের ৯৯ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। ২৫ জুন উদ্বোধনের পর যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে সেতুর সড়ক পথ।

সোর্স: ঢাকা পোস্ট/ব.ম শামীম/আরএআর
Share:

৬৪ জেলায় রেপ্লিকেশন হবে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সময়

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সময় ৬৪ জেলায় এক সঙ্গে এর রেপ্লিকেশন হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (৩০ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান। 

বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ইনশাআল্লাহ সুপার গর্জিয়াস হবে। ৬৪ জেলায় এক সঙ্গে রেপ্লিকেশন হবে। এখানে অরিজিনাল উদ্বোধন, সব জায়গায় রেপ্লিকেশন হবে।
রোববার পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত সেতুর নাম ‘পদ্মা সেতু’ নামকরণ করে সরকারি গেজেট জারি হয়। সেতু বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির পর সরকারি গেজেট জারি করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, আগামী ২৫ জুন যানবাহন চলাচলের জন্য পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। ওই দিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধন করবেন। পদ্মা সেতু উদ্বোধন এবং নামকরণের সারসংক্ষেপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করার পর গণভবন গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।
সোর্স: ঢাকা পোস্ট ডট কম/এসএইচআর/এসকেডি।
Share:

পদ্মায় বসল দশম স্প্যান, দৃশ্যমান দেড় কিলোমিটার

পদ্মা সেতু এখন দেড় কিলোমিটার দৃশ্যমান। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে মাওয়া প্রান্তে ১৩ ও ১৪ নম্বর পিয়ারের ওপর ১০ম স্প্যানটি বসানো হয়। এর মধ্য দিয়ে ১৩৫০ মিটারের সেতু এখন ১৫ শ মিটার দৈর্ঘ্যে রূপ নিয়েছে।

পদ্মা সেতুর বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ মাসের মধ্যে পুরো সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তাঁর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাইয়ে পুরোপুরি দৃশ্যমান হবে পদ্মা সেতু।

জানা গেছে, নতুন নকশা অনুযায়ী পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতুতে মোট ২৯৪টি পাইল রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে ২৪৭টি পাইল বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ৪৭টি পাইলের মধ্যে ১৫টি পাইলের অর্ধেক বসানো হয়ে গেছে। ২৯৪টি পাইলে থাকবে মোট ৪২টি খুঁটি। এসব খুঁটির ওপরে ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। ৪২টি খুঁটির মধ্যে ২২টি খুঁটির নির্মাণ পুরোপুরি হয়ে গেছে। এই জুন মাসের মধ্যে ১০টি খুঁটির নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাবে।

Eprothom Alo
২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। ২২ মার্চ পদ্মা সেতুর ৩৫ ও ৩৪ নম্বর পিয়ারের ওপর সবশেষ নবম স্প্যানটি বসানো হয়। ওই দিন ১৩৫০ মিটারের সেতু দৃশ্যমান হয়।

পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০ এপ্রিল জাজিরায় প্রমত্তা এই নদীর ওপর ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিয়ারের ওপর আরও একটি স্প্যান বসানো হতে পারে। এপ্রিলের শেষ দিকে আরেকটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর খুঁটিতে বসানো হয় দ্বিতীয় স্প্যান। গত বছরের ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর খুঁটির ওপর বসে তৃতীয় স্প্যান। ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়। সবশেষ ২৯ জুন সেতুর পঞ্চম স্প্যান বসানো হয়েছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায়। জাজিরা প্রান্তের তীরের দিকের এটিই শেষ স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর ৭৫০ মিটার দৃশ্যমান হয়।

বসানো হচ্ছে ১০ম স্প্যান। ছবি: সংগৃহীত
বসানো হচ্ছে ১০ম স্প্যান। ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতল পদ্মা সেতু হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য (পানির অংশের) ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ডাঙার অংশ ধরলে সেতুটি প্রায় নয় কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। খুঁটির ওপর ইস্পাতের যে স্প্যান বসানো হবে, এর ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। আর ওপর দিয়ে চলবে যানবাহন। পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২টি। প্রতিটি পিলারের রাখা হয়েছিল ছয়টি পাইল। একটি থেকে আরেকটি পিলারের দূরত্ব ১৫০ মিটার। এই দূরত্বের লম্বা ইস্পাতের কাঠামো বা স্প্যান জোড়া দিয়েই সেতু নির্মিত হবে। স্প্যানের অংশগুলো চীন থেকে তৈরি করে সমুদ্রপথে জাহাজে করে আনা হয় বাংলাদেশে। ফিটিং করা হয় মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে।

পিলার ও স্প্যানের পাশাপাশি সেতুতে রেলপথের জন্য স্ল্যাব বসানোর কাজ চলছে।

বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। বর্তমান ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। দুই প্রান্তে টোল প্লাজা, সংযোগ সড়ক, অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
Share:

Recent Posts