![]() |
| ছবিঃ মিনহাজুল(সংগৃহিত) |
তাসকিন যখন রূপগঞ্জের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে বোলিং করছিলেন, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খানের রুমের বসে সেটি নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেছিলেন মিনহাজুল। প্রধান নির্বাচকের কথায় মনে হচ্ছিল, তাসকিনের চেষ্টা আসলে বৃথা। মানুষ আশায় বাঁচে। তাসকিনও আশা নিয়ে ছিলেন। সেটিও হাওয়ায় মিলিয়ে গেল বিশ্বকাপের দল ঘোষণা হওয়ার পর।
কেন তাসকিনের সুযোগ হয়নি বিশ্বকাপ দলে, সেটি বলতে গিয়ে মিনহাজুলের কণ্ঠে কিছুটা তথ্যবিভ্রাট। বললেন, তাসকিন ২০১৭ সালে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু আসল তথ্যটা হবে—২০১৮। গত বছর মার্চে শ্রীলঙ্কার নিদাহাস ট্রফিতে তাসকিন দেশের হয়ে সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন। তবে এটা ঠিক তিনি সবশেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০১৭ সালের অক্টোবরে।
প্রিমিয়ার লিগের একটা ম্যাচ খেললেও স্কিলের দিক দিয়ে তাসকিন পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পাননি, প্রধান নির্বাচক বলছেন, এটিই আসলে তাঁকে বাদ দেওয়ার মূল যুক্তি , ‘একটা দীর্ঘ বিরতি পড়ে গেছে (আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে)। ওকে যখন নিউজিল্যান্ড সফরে চিন্তা করলাম, আবার চোটে পড়ে গেছে। আমাদের কাছে যে রিপোর্টগুলো আছে ফিজিওর, ও এখনো পুরোপুরি ফিট না। স্কিলের দিক দিয়ে পুরোপুরি ফিট হিসেবে চাচ্ছিলাম ওকে। এখন ওকে নিতে চাচ্ছি না। ঘরোয়া ক্রিকেটে একটা ম্যাচ খেলেছে সে। তবুও তার ফিটনেস সন্তোষজনক নয়।’
তবে একটা সান্ত্বনা তাসকিনের জন্য রেখেছেন নির্বাচকেরা। মিনহাজুল বললেন, ‘আয়ারল্যান্ড সফরে যদি কেউ চোটে পড়ে ওকে বিকল্প হিসেবে ডাকা হবে।’






